স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময় জানালেন মির্জা ফখরুল

 স্থানীয় সরকার নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। রুমিন ফারহানা বলেন, ‘স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে যিনি মন্ত্রী আছেন, উনার কাছে আমার প্রশ্ন, আমাদের স্থানীয় সরকারের যে নির্বাচনগুলো হওয়ার কথা ছিল ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ। এ নির্বাচনগুলো কবে হবে?’ তিনি বলেন, ‘আমরা জেলাগুলোতে দেখেছি, জেলা প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে এবং প্রতিটি জেলা প্রশাসকই দলীয়ভাবে মনোনীত। আমরা তো গণতন্ত্রের জন্য ১০ বছর ধরে লড়াই করেছি। আমাদের জেলা প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং সেটাও দলীয় বিবেচনায়। অথচ এই গণতন্ত্রের জন্য ২০১৪ থেকে আরম্ভ করে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে, বাংলাদেশের মানুষ লড়াই করেছে, সংগ্রাম করেছে। কিন্তু এরপর যখন আমরা দেখি যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো। এখন প্রায় চার মাসের মতো হয়ে গেছে সরকার গঠিত হয়েছে। এরপরও কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে কিছু জানতে পারিনি।’ জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলম...

সুখবর পেলেন বিএনপির ১৭ নেতা যারা পেলেন দেখে নিন

 



 দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নীতি-আদর্শ পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পূর্বে দেওয়া ১৭ নেতার বিরুদ্ধে বহিষ্কারাদেশ ও পদ স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বহিষ্কৃত ও পদ স্থগিত নেতাদের আবেদনের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট দলীয় সিনিয়র নেতাদের মতামতের ভিত্তিতে তাদের বহিষ্কারাদেশ ও স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে সদস্য পদ ফিরিয়ে দেওয়া হলো। সদস্য পদ ফিরে পাওয়া নেতারা হলেন- নারায়ণগঞ্জ জেলাধীন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন, গাজীপুর মহানগরের অন্তর্গত গাছা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল উদ্দিন, দিনাজপুর জেলাধীন বিরল উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মো. সাদেক আলী, সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মোসা. ফিরোজা বেগম সোনা, হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য মহিবুল ইসলাম শাহিন।

তালিকায় আরও রয়েছেন ভোলা জেলাধীন তজুমদ্দিন উপজেলার ৪নং চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম হাওলাদার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মো. বাবর আলী বিশ্বাস, ভোলাহাট থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ারুল ইসলাম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলাধীন জোরারগঞ্জ থানা যুবদলের আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. কামাল উদ্দিন, ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপির সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম আজম, নোয়াখালী জেলাধীন সুবর্ণচর উপজেলা যুবদলের সভাপতি বেলাল হোসেন সুমন, সুবর্ণচর উপজেলা বিএনপির সদস্য মো. জামাল উদ্দিন গাজী, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলাধীন নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. মাজহারুল ইসলাম।

এ ছাড়া, দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের জন্য হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলা বিএনপির সভাপতি মজিবুল হোসেন মারুফ এবং সাধারণ সম্পাদক নকিব ফজলে রাব্বি মাখনের দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ স্থগিত করা হয়েছিল। আবেদনের ভিত্তিতে তাদের স্থগিতাদেশও প্রত্যাহার করা হয়েছে।

Comments