স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময় জানালেন মির্জা ফখরুল

 স্থানীয় সরকার নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। রুমিন ফারহানা বলেন, ‘স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে যিনি মন্ত্রী আছেন, উনার কাছে আমার প্রশ্ন, আমাদের স্থানীয় সরকারের যে নির্বাচনগুলো হওয়ার কথা ছিল ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ। এ নির্বাচনগুলো কবে হবে?’ তিনি বলেন, ‘আমরা জেলাগুলোতে দেখেছি, জেলা প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে এবং প্রতিটি জেলা প্রশাসকই দলীয়ভাবে মনোনীত। আমরা তো গণতন্ত্রের জন্য ১০ বছর ধরে লড়াই করেছি। আমাদের জেলা প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং সেটাও দলীয় বিবেচনায়। অথচ এই গণতন্ত্রের জন্য ২০১৪ থেকে আরম্ভ করে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে, বাংলাদেশের মানুষ লড়াই করেছে, সংগ্রাম করেছে। কিন্তু এরপর যখন আমরা দেখি যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো। এখন প্রায় চার মাসের মতো হয়ে গেছে সরকার গঠিত হয়েছে। এরপরও কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে কিছু জানতে পারিনি।’ জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলম...

ভয়াবহ গোলাগুলি-সংঘর্ষ ১২সেনাসহ নিহত ৪৭

    


পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) প্রদেশে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে অন্তত ৩৫ জন ‘ভারত মদদপুস্ট সন্ত্রাসীকে’ হত্যা করেছে পাকিস্তানি সেনারা। একই সঙ্গে তীব্র গোলাগুলির মুখে ১২ জন সেনা হারিয়েছে দেশটি। শনিবার পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ দপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

আইএসপিআর জানায়, ১০ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দু’টি আলাদা অভিযানে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। বাজউর জেলায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে সেনারা সন্ত্রাসীদের আস্তানায় অভিযান চালায়। টানা গোলাগুলির পর নিহত হয় ২২ জন সন্ত্রাসী।
অন্যদিকে দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে পরিচালিত পৃথক অভিযানে আরও ১৩ জন ‘সন্ত্রাসী’ নিহত হয়। এ সময় তীব্র গুলিবিনিময়ে প্রাণ যায় ১২ জন সেনার। তবে এই অভিযানকে পাক সেনাদের অন্যতম সাফল্য হিসেবে বর্ণনা করেছে আইএসপিআর।
বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযানে জব্দ করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ। নিহতরা ভারত-সমর্থিত “ফিতনা আল-খাওয়ারিজ” গোষ্ঠীর সদস্য এবং তারা দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল বলেও উলে­খ করা হয় এতে।
আইএসপিআর আরও জানায়, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে নিশ্চিত হওয়া গেছে, এসব হামলায় আফগান নাগরিকরাও জড়িত ছিল। বিবৃতিতে সামরিক বাহিনী বলেছে, ফিতনা আল-খাওয়ারিজ গোষ্ঠী আফগান ভূমি ব্যবহার করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে, যা উদ্বেগজনক। পাকিস্তান আশা করে আফগান সরকার দায়িত্বপূর্ণ আচরণ করবে এবং তাদের ভূমি সন্ত্রাসের জন্য ব্যবহার করতে দেবে না।
এলাকাগুলোতে সন্ত্রাসী তৎপরতা নির্মূল করতে এখনও অভিযান চলছে। আইএসপিআর বলেছে, ‘আমাদের সাহসী সেনাদের আত্মত্যাগ পাকিস্তান থেকে ভারত-পৃষ্ঠপোষক সন্ত্রাসবাদ সম্পূর্ণ নির্মূল করার অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করেছে।’
২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী প্রদেশগুলোতে বেড়েছে সন্ত্রাসী হামলা। শুধু আগস্ট মাসেই পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা ৭৪ শতাংশ বেড়েছে বলে জানায় পাকিস্তান ইনস্টিটিউট ফর কনফ্লিক্ট এ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ (পিআইসিএসএস)। ওই মাসে বিভিন্ন হামলায় ১৯৪ জন প্রাণ হারান। 
সূত্র: জিও নিউজ।

Comments

Popular posts from this blog

বিএনপির প্রার্থী তালিকায় নেই আলোচিত নেতাদের নাম পাওয়া গেলো চাঞ্চল্যকর তথ্য।

এইমাত্র পাওয়া: যারা যারা মনোনয়ন পাচ্ছে, তাদের তালিকা

মহাবিপদ সংকেত দিয়ে দেশবাসীর জন্য