স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময় জানালেন মির্জা ফখরুল

 স্থানীয় সরকার নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। রুমিন ফারহানা বলেন, ‘স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে যিনি মন্ত্রী আছেন, উনার কাছে আমার প্রশ্ন, আমাদের স্থানীয় সরকারের যে নির্বাচনগুলো হওয়ার কথা ছিল ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ। এ নির্বাচনগুলো কবে হবে?’ তিনি বলেন, ‘আমরা জেলাগুলোতে দেখেছি, জেলা প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে এবং প্রতিটি জেলা প্রশাসকই দলীয়ভাবে মনোনীত। আমরা তো গণতন্ত্রের জন্য ১০ বছর ধরে লড়াই করেছি। আমাদের জেলা প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং সেটাও দলীয় বিবেচনায়। অথচ এই গণতন্ত্রের জন্য ২০১৪ থেকে আরম্ভ করে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে, বাংলাদেশের মানুষ লড়াই করেছে, সংগ্রাম করেছে। কিন্তু এরপর যখন আমরা দেখি যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো। এখন প্রায় চার মাসের মতো হয়ে গেছে সরকার গঠিত হয়েছে। এরপরও কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে কিছু জানতে পারিনি।’ জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলম...

হাসিনা ফিরতে চান, তবে...

 


ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেছেন, তিনি দেশে ফিরতে চান। তবে এর আগে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণ- মূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে।

দিল্লির এক অজ্ঞাত স্থান থেকে দেয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘এখানে আমি স্বাধীনভাবে দিন কাটাতে পারি। যুক্তিসঙ্গত সীমার মধ্যে যা ইচ্ছা তা করতে পারি।’ শেখ হাসিনা বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে দায়ী করেন। বলেন, উগ্রপন্থিরা ইউনূসকে আন্তর্জাতিক পরিসরে ব্যবহার করছে। অভ্যুত্থান সম্পর্কে হাসিনা বলেন, বিক্ষোভ ছিল শান্তিপূর্ণ। হঠাৎ করেই তা অন্য রূপ নেয়। এটা ছিল মূলত সরকারি চাকরিতে কোটা প্রথার প্রতিবাদে।

 তাদের সব দাবি মেনে নেয়াও হয়েছিল। কিন্তু একটি উগ্রপন্থি গোষ্ঠী আন্দোলনকে সহিংসতার দিকে নিয়ে যায়। তার ভাষায়, ফরেনসিক রিপোর্টে কিছু বিদেশি ভাড়াটে উস্কানিদাতা হিসেবে কাজ করেছে তার প্রমাণ মিলেছে। তার ধারণা, ইউনূস ও তার অনুসারীরা এই আন্দোলনকে উস্কে দিয়েছিল। তিনি বলেন, এটা কোনো রাজনৈতিক আন্দোলন ছিল না। তার দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ সম্পর্কে বলেন, এগুলো সঠিক নয়, প্রতিপক্ষের তৈরি। হাসিনা বলেন, ইউনূসের শাসনকালে বাংলাদেশের সহনশীল ও শান্ত সমাজ উদ্বেগজনকভাবে উগ্রপন্থার দিকে ঝুঁকে পড়ছে। মন্ত্রিসভায় উগ্রপন্থিদের বসানো হয়েছে। উগ্রপন্থিরা ইউনূসকে ব্যবহার করছে। একপর্যায়ে সংখ্যালঘুরা তাদের টার্গেটে পরিণত হতে পারে। এটা উদ্বেগের বিষয়। ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়েছে।

Comments

Popular posts from this blog

বিএনপির প্রার্থী তালিকায় নেই আলোচিত নেতাদের নাম পাওয়া গেলো চাঞ্চল্যকর তথ্য।

এইমাত্র পাওয়া: যারা যারা মনোনয়ন পাচ্ছে, তাদের তালিকা

মহাবিপদ সংকেত দিয়ে দেশবাসীর জন্য