জেনে রাখুন ধর্মীয় মাসালা.!
- Get link
- X
- Other Apps
ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক শারীরিক সম্পর্ক ও তৃপ্তি লাভের বিষয়ে যথেষ্ট নমনীয়তা দেওয়া হয়েছে, তবে এক্ষেত্রে কিছু ধর্মীয় ও স্বাস্থ্যগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এ বিষয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
১. মূল বিধান: কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের স্ত্রীরা তোমাদের শস্যক্ষেত্র স্বরূপ, অতএব তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা গমন করতে পারো" (সূরা বাকারা: ২২৩)। এই আয়াতের ভিত্তিতে অনেক আলেম মনে করেন, পায়ুপথ বর্জন করে যেকোনোভাবে আনন্দ লাভ করা মৌলিকভাবে নিষিদ্ধ নয়।
২. মাকরূহ বা অপছন্দনীয়: অধিকাংশ ইসলামী ফকিহ ও আলেমের মতে, লজ্জাস্থান মুখে নেওয়া বা চোষা অত্যন্ত মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ [১]। এর প্রধান কারণগুলো হলো:
এটি মানবীয় স্বভাবজাত রুচিবোধের (ফিতরাত) পরিপন্থী।
লজ্জাস্থান হলো নাপাকি বা অপবিত্রতা নির্গমনের স্থান। মুখে নেওয়া বা চোষার ফলে বীর্য, মজি (উত্তেজনার সময় নিঃসৃত তরল) বা পেশাবের অবশিষ্টাংশ পেটে চলে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে, যা ইসলামে কঠোরভাবে হারাম বা নিষিদ্ধ।
৩. পায়ুপথ ও ঋতুস্রাব: ইসলামে পায়ুপথে যৌন মিলন (লিওয়াত) এবং ঋতুস্রাব (পিরিয়ড) চলাকালীন মিলন করা স্পষ্টভাবে হারাম বা কবিরা গুনাহ ঘোষণা করা হয়েছে।
৪. পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্য: ইসলাম পরিচ্ছন্নতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়। লজ্জাস্থান মুখে নেওয়ার ফলে বিভিন্ন ধরনের যৌনবাহিত রোগ (STD) সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।
সারসংক্ষেপ: স্বামী-স্ত্রীর একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়ে ইসলামে অনেক স্বাধীনতা থাকলেও, অপবিত্রতা ও সুরুচির খাতিরে লজ্জাস্থান মুখে নেওয়া থেকে বিরত থাকাই ঈমানের দাবি এবং সর্বোত্তম পন্থা।
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে আপনি জাতীয় ফতোয়া বোর্ড বা নির্ভরযোগ্য কোনো আলেম বা মুফতির সাথে পরামর্শ করতে পারেন।
- Get link
- X
- Other Apps

Comments
Post a Comment